This is Tanjina shabu's Typepad Profile.
Join Typepad and start following Tanjina shabu's activity
Join Now!
Already a member? Sign In
Tanjina shabu
Recent Activity
বাহ! স্কট, তোমার চারুলতার সমালোচনা পড়ে আমি অভিভূত (fascinated) হয়েছি। তুমি খুব ভালো বিশ্লেষক (analyst)। তোমার জার্নাল থেকে এবার অনেকগুলো নতুন শব্দ শিখেছি। তোমার জার্নালের অনেকগুলো পয়েন্টের সাথে আমি একমত। তুমি লিখেছ যে, অমলকে নিয়ে ছবির সব মহিলারা মুগ্ধ ছিল। আমার কাছে তাই মনে হয়েছে, যেমনঃ ‘মন্ধা’- চারুলতার ভাইয়ের বউ ও মনে হয় অমলকে একটু পছন্দ করত। এমনকি আমার ও অমলের চরিত্রটা খুব ভালো লেগেছে। তোমার একটা মতামত (opinion) আমার একটু বেশী জানতে ইচ্ছে করছে, কাজের আর বিয়ের সম্পর্কের ভারসাম্য কি সবসময় ঠিক রাখা যায়? যদি ভূপতি চারুলতাকে আরো সময় দিত, কিন্তু তারপরেও চারু অমলকে পছন্দ করলে তখন ভুপতির কি কোন দোষ থাকত? আমার খুব ভালো লেগেছে যে, তুমি ভারতের/ বাঙ্গালী সংস্কৃতির এবং সমাজের আসল বৈশিষ্ট্য(characteristics) সম্পর্কে লিখেছ। চারুর মত আরো অনেক মেয়ে ভারতের ঐতিহ্য নষ্ট করেছে বটে কিন্তু তাতে ক্ষতি হলো বেশি চারুর মত মেয়েদের। কারন, ভারতের সমাজের লোকেরা চারুর মত মেয়েদের ভালোভাবে গ্রহন (accept) করে না। আমার মনে হয় সমাজকে আরো ‘খোলা মন’-(open minded) হওয়া উচিত। চারুর মত মেয়েরা জীবনে ভূল করেছে বটে কিন্তু ওরাও তো মানুষ, ওদেরকে সমানভাবে (equally) দেখা সমাজের উচিত। তোমার কমেন্টের প্রশ্নের উত্তরে লিখছি যে, আবেগকে নিয়ন্ত্রন করা যায় না। কারণ, কেঊ জানে না কাকে কার কখন ভালো লাগে, তাই মনের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন, কর্ম (action) নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আমার মনে হয়, পুরুষরা নিজেদের আবেগকে ধরে রাখতে পারে (can hold), কিন্তু নারীর মন নরম থাকে বলে তারা আবেগ আটকে রাখতে পারে না (cannot hold)। অনেক লিখে ফেললাম, কাল ক্লাসে আরো কথা হবে।
কি চমৎকার! ব্রায়ান, তোমার জার্নাল্টা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি ভাবছি যে, তোমার লেখা প্রশ্নগুলো নিয়ে একদিন ক্লাসে কথা বললে ভালো হবে। তোমার মতো আমিও রবীন্দ্রনাথের ‘নষ্টনীঢ়’ উপন্যাসটি সম্পর্কে জানতাম না। কিন্তু আমি বাঙ্গালী সমাজে বড়ো হয়েছি (grew up) বলে চারুলতা সম্পর্কে আমার মতামত (opinion) তোমার থেকে একটু আলাদা। তুমি একদম (absuletly) ঠিক বলেছ যে, আমরা একজন আরেকজনকে বুঝতে চাইলেও তা সম্ভব নয়। কিন্তু বোঝার চেয়ে আমরা যে একে অপরের সংস্কৃতিকে শ্রদ্ধা (respect) করি সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তোমার জার্নালে ঐতিহাসিক (historical) তথ্য (information) ppপড়ে খুব ভালো লাগল। তুমি ১৯৬০ এ feminist movement এর কথা লিখেছ, আমি ভাবছি যে, সত্যজিত রায় ভারতের সংস্কৃতিতে বদল আনার জন্য রবীন্দ্রনাথের চারুলতা চরিত্রটি ব্যবহার করেছেন। আমি আরো ভাবি যে, যখন একজন লোক নতুন ভাষা শিখে তখন সেই ভাষার ইতিহাস এবং গল্প জানা ভালো। কারন, একটা ভাষাকে ভালোবাসলে তার ইতিহাস সম্পর্কে একজন লোকের শেখা দরকার। কিন্তু... দুঃখের ব্যাপার (matter) হলো মাঝে মাঝে কিছু ভাষা শুধু প্রয়োজনীয় (important)কাজে ব্যবহার করা হলে এবং ভাষার সাথে টান না থাকলে; মানুষ সে ভাষাকে শুধু ব্যবহার করতে শিখে, ভালোবাসতে শিখে না । আমার মনে হয়, একজন লোক যখন নতুন একটা ভাষা শিখে তখন তার সময় নিয়ে শেখা উচিত, কারণ সময়ের অভাবে (lack of time) অনেকে নতুন ভাষার ইতিহাস এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে শিখতে পারে না। আর নিজের সংস্কৃতি ভুলে গিয়ে অন্য সংস্কৃতিকে জানার মজা আসলেই নেই। আজকে এখানেই শেষ করছি, কাল দেখা হবে।
ব্রায়ান, তুমি কলেজ লাইব্রেরীর সামনে এত সুন্দর একটি বাংলা চিঠি পেয়েছ, তাও আবার শিশিরের কাছ থেকে। চিঠিতে কোন ‘ফেরত ঠিকানা- রির্টান অ্যাড্রেস’ ছিলো কি? যদি থাকে তাহলে আমি শিশির কাকাকে ‘শম্পা’ হয়ে চিঠি লিখতাম। আমার কিছু প্রশ্ন ছিলো শিশির কাকার কাছে, তোমার যদি ওনার সঙ্গে দেখা হয় তাহলে দয়া করে জিজ্ঞেস করো। প্রথম প্রশ্নঃ শিশির কাকার এই বাড়িতে সবচেয়ে কাকে খারাপ মনে হয়, মানে এই পরিবারে কোন লোক বা মহিলা সবচেয়ে খারাপ চরিত্রের? দ্বিতীয় প্রশ্ন (একটু ব্যাক্তিগত- তারপরেও জানার খুব ইচ্ছে করছে) ঃ শিশির কাকা কি এখনো পারুল পিসিকে পছন্দ করেন? তৃতীয় প্রশ্নঃ শিশির কাকা কি একদিন ওনার গাড়িটায় করে আমাদের নিয়ে ঘুরে বেরাতে পারবেন?? আমার গাড়িতে চড়ার খুব ইচ্ছা। আজকে আর লিখবো না, কারণ আমারও খুব খারাপ লাগছে। জয়কে অনেক মিস্ করছি।
স্কট, তোমার জার্নালটা পড়ে অনেক কিছু ভাবছি। বই পড়ার মাঝে আসলেই অন্য রকম এক শান্তি। আমার যখন খুব মন খারাপ করে, তখন আমার বই পড়লে ও গান শুনলে মন ভালো হয়ে যায়। তুমি বইয়ের পাশাপাশি বৃষ্টির কথা ও লিখেছ, তোমার লেখা পড়ে মনে হয়েছে তোমার ভবিষ্যতে লেখক হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তোমার সবচেয়ে প্রিয় লেখক কে? তুমি কোন ধরনের বই বেশি পছন্দ কর?তুমি কি ধর্মের আলোচনার বই পড়তে পছন্দ কrর? তুমি হৃদয়পট সম্পর্কে অনেক সুন্দর বাক্য লিখেছ, তুমি কি হৃদয়পটকে ‘ক্যানভাস’ এর সাথে তুলনা করেছ? তুমি আরো লিখেছ, বাঙ্গালী লোকেরা নির্জনতা ভালবাসে না কি? আমার মনে হয় যে, বাঙ্গালী লোকেরা নির্জনতা ভালবাসে, কিন্তু সবসময় না। কখনো প্রকৃতির মাঝে নির্জনতা খুঁজে পাওয়া যায়, আবার কখনো নির্জনতা পৃথিবীর কোথাও পাওয়া যায়না। আজ অনেক কিছু লিখলাম। তোমার বুঝতে কোনো সমস্যা হলে আমাকে জানাবে।
স্কট, তোমার প্রথম ‘জার্নাল’ টা খুব ভালো হয়েছে, বরাবরের মত। তোমার পরিবারের কথা পড়ে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। সুন্দর একটা সুখী পরিবার। তোমার পরিবারের সবার নাম চিনতে পারিনি। তোমার স্ত্রীর নাম ‘সোমা’ তাই না? আর মানু এবং বাপী কে? তোমার মাশি আর মেশো কয় বছর পরে আমেরিকাতে আসে? আমার অ্যাপার্টমেন্টের অভিজ্ঞতাতো তুমি জানলে যে, মোটামুটি চলছে। তার মানে বেশি ভালো না, আবার বেশি খারাপ ও না। আমার যে দুই বান্ধবীর সাথে আছি ওরা ভালই। আমরা ডর্মে প্রতিবেশী ছিলাম। আমাদের অ্যাপার্টমেন্টটা এখন একটু অপরিস্কার হয়ে গেছে, কারন এই শনিবারে পরিস্কার করার কথা ছিল, কিন্ত আমরা খুব অলস হয়ে গিয়েছলাম, তাই কিছু ই করা হয়নি। রান্না আমি এত ভালো জানি না। তারপরে ও চেষ্টা করি। আমি বাঙালী খাবার রান্না করি। বিশেষ করে ভাত, ডাল, আর ডিম ভাজি করি, কারণ এগুলো রান্না করা সহজ। শপিং মানে হচ্ছে ‘কেনা-কাটা’। সরি আমার বাংলা লেখা উচিত ছিলো। আজকে এখানে শেষ করছি।
ব্রায়ান, ওয়ালাইকুম আসসালাম। আমি বেশি ভালো নেই, কারন অনেকক্ষন ধরে চিন্তা করছিলাম যে, প্রসেনজিত তোমার সাথে কি আলাপ করছিল? প্রসেনজিত কি তোমাকে সমবেদনা জানাতে এসেছিল, কারন তোমার প্রিয় ‘রাণী’ তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে। কি দুঃখ তাই না? প্রসেনজিতের সাথে আবার দেখা হলে বলে দিও যে, আমি ওনার ফোন পাইনি, আর যদি ওনি করে থাকে তাহলে হয়তবা কোন ভূতের বাসায় করেছে!! তোমার বন্ধু আসলে ঠিকই বলেছে যে, তোমার ‘পুনরজন্ম’ কলকাতায়। কলকাতার প্রতি তোমার ভীষণ টান! তোমার কি শরৎকাল বেশী ভালো লাগে? তোমার প্রিয় কবি কে? তুমি কি কখনো লেখক শরৎচন্দ্রের নাম শুনেছ? তুমি নিশ্চয় ‘দেবদাস’ ছবিটা দেখেছ, ওই ছবিটা ওনার উপন্যাসের উপর। তোমার অপর্ণা সেন অার কবিরার সম্বন্ধে যে মজার গল্পটা অাছে – সেটা ক্লাসে বলবে। আজকে এই টুকু ই । খোদা হাফিজ।
ব্রায়ান, তোমার দূটো ব্লগের উত্তর একসাথে দেবো এখন। তোমার প্রথম ব্লগটা পড়ে আমার হাসি পেয়েছে। পড়ে মনে হয়েছে, তূমি ওই বিয়েতে খুব মজা করেছ। তোমার কাছে কি সব উৎসবের মাঝে দুর্গা পূজা বেশি ভালো লাগে? তোমার ওয়েবসাইটা খুব ভাল হয়েছে। তুমি যে এত সুন্দর করে গান গাও, তা আগে কখনো শুনিনি। আমি আশা করি তুমি একজন বড় শিল্পী হবে। হয়তবা কোনো একদিন বাংলা গান তোমার কন্ঠে শুনতে পাব। তোমার ওয়েবসাইটটা পুরোটা দেখে শেষ করতে পারিনি, কিন্তু প্রতেকটা সেকশন খুব ইন্টারেসটিং মনে হয়েছে। তোমার কবিতা এবং ফটো একদিন দেখবো। বাহ ! তোমার মাঝে এত গুণ!! ভাল কথা, তোমার সুন্দরবনের ছবিগুলো সুন্দর হয়েছে। ইস, আমি যদি বাঘ দেখতে পেতাম! .......................।এখন তৃতীয় ব্লগ সম্পর্কে..............। তোমার প্রিয় রঙ কি নীল? তুমি লিখেছ তোমার ঘরের দেওয়াল, বিছানার চাদর সবকিছু নীল। আমার কাছে জানতে ইচ্ছে করছে, তুমি ওই ঘরটা আর দেখতে পাবে না কেন? আজকে এই পযন্ত!
ব্রায়ান, তোমার দূটো ব্লগের উত্তর একসাথে দেবো এখন। তোমার প্রথম ব্লগটা পড়ে আমার হাসি পেয়েছে। পড়ে মনে হয়েছে, তূমি ওই বিয়েতে খুব মজা করেছ। তোমার কাছে কি সব উৎসবের মাঝে দুর্গা পূজা বেশি ভালো লাগে? তোমার ওয়েবসাইটা খুব ভাল হয়েছে। তুমি যে এত সুন্দর করে গান গাও, তা আগে কখনো শুনিনি। আমি আশা করি তুমি একজন বড় শিল্পী হবে। হয়তবা কোনো একদিন বাংলা গান তোমার কন্ঠে শুনতে পাব। তোমার ওয়েবসাইটটা পুরোটা দেখে শেষ করতে পারিনি, কিন্তু প্রতেকটা সেকশন খুব ইন্টারেসটিং মনে হয়েছে। তোমার কবিতা এবং ফটো একদিন দেখবো। বাহ ! তোমার মাঝে এত গুণ!! ভাল কথা, তোমার সুন্দরবনের ছবিগুলো সুন্দর হয়েছে। ইস, আমি যদি বাঘ দেখতে পেতাম! .......................।এখন তৃতীয় ব্লগ সম্পর্কে..............। তোমার প্রিয় রঙ কি নীল? তুমি লিখেছ তোমার ঘরের দেওয়াল, বিছানার চাদর সবকিছু নীল। আমার কাছে জানতে ইচ্ছে করছে, তুমি ওই ঘরটা আর দেখতে পাবে না কেন? আজকে এই পযন্ত!
স্কট, তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার ব্লগে লেখার জন্য।তোমার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো। তোমার মত আমি ও কম্পিউটার নিয়ে সমস্যায় পড়েছি। আজকে কোনো রকমে লিখছি। তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছো আমি প্রায় কি শীতের ছুটিতে বাংলাদেশ ফিরে যাই কিনা? না, আসলে অনেক বছরহয়ে গেছে বাংলাদেশে যায় নি, আর আমার নানা এবং দাদীমা দুজনে খুব অসুস্থ হয়ে পরেছে, তাই সবার সাথে দেখা করব এবং দেশটা ও ঘুরে আসবো। তুমি জানতে চেয়েছ যে, বাবা-মা বাংলা প্রায় পড়েন কিনা? আমার জানি না তোমাকে আগে বলেছি কিনা…আমার মা একজন শিখক ছিলেন, ওনি বাংলা পড়তে খুব ভালোবাসেন। আমার বাবা ও বাংলা বই পড়েন, কিন্ত এখন আমার মা-বাবা দুইজনের ই বাংলা পড়ার সময় নেই। কারন, তারাঁ কাজ নিয়ে খুব ব্যস্ত। তুমি শুনে আরো অবাক হবে যে, আমার ভাইবোন কেউ বাংলা পড়তে পারে না। কি অদ্ভুত তাই না? এবার ৩য় প্রশ্নের উত্তর হল যে, আমেরিকায় আসার পর অনেক খারাপ লেগেছে আমার দেশের জন্য। আমার সব কিছু তেমন মনে নেই, তারপরে ও স্কুলে যাওয়ার প্রথম দিনের কথা মনে আসে। আমার কোনও বন্ধু ছিলো না। আমেরিকার সব কিছুই এখন ভালো লাগে। আমার কাছে ঢাকায় রিকশা চড়তে খুব মজা লাগে। যদি ও আমি দুইবার রিকশা থেকে পরে গিয়েছিলাম, হা! হা! আমার কাছে তারপর ও খুবভালো লাগে। তোমার সব প্রশ্নের জবাব দিলাম। এবার তোমার কাছে আমার কিছু প্রশ্ন আছে। আমি জানতে চাই, তোমার রান্নাঘর তৈরী করতে কতোদিন লেগেছিল? তোমার কাছে কি চাঁপা ফুল ভালো লাগে? আমি কখনো চাঁপা ফুল দেখিনি। আমার কাছে গোলাপ ভালো লাগে। তোমার রান্নাঘরের পাশে কোনো ফলের গাছ নেই? আরেকটা মজার প্রশ্ন হলো, তোমার কাছে কোন বাঙালী খাবারটা সবচেয়ে বেশী ভালো লাগে? তোমার প্রথম দিনের ব্লগটা তে তুমি যে সূর্যাস্তএর কথা লিখেছ তা আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। আজকে এই পয ন্ত।কালকে দেখা হবে।
ব্রায়ান, প্রথমত তোমার বাংলা লেখা দেখে আমি খুব ই আশ্চয হয়েছি। তুমি এত ভাল বাংলা লিখতে পারো, আমার কাছে অবাক লাগে। আমার ব্লগটা এত বেশি ভাল হয়নি, তারপরে ও তোমাকে ধন্যবাদ আমার ব্লগে লেখার জন্য। আমি ম্যাডিসনে লেখাপড়া করতে এসেছি, কারন এখানে আমি ভালো স্কলারশীপ পেয়েছি। আমি আটলান্টায় “ইমুরি ইউনিভার্সিটিতে” ভর্তি হতে চেয়েছিলাম, কিন্ত এখানে স্কলারশীপ এবং রিসার্চ প্রোগ্রাম এ ভাল অফার পেয়েছি, তাই এখানে এসেছি। আমার কাছে রবিন্দ্রনাথের কবিতা ও গান ভালো লাগে। কবি নজরুলকে ও আমার ভালো লাগে, তবে ওনার কবিতার ভাষা কঠিন। আমার কাছে খুব ই ভালো লাগছে যে তুমি বাংলা ভাষাকে এত ভালো করে জানার চেষ্টা করছো। আমার মনে হয় তুমি একজন ভালো শিক্ষক হবে। তোমার কাছে কোনো কবিতার বই থাকলে একদিন ক্লাসে নিয়ে এসো, আমরা সবাই পড়বো। ~ তানজিনা